প্রবন্ধ রচনা: নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুস

নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুস

অথবা

গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মোহাম্মদ ইউনুস 

অথবা 

ড. মোহাম্মদ ইউনুস আমাদের গৌরব 


ভূমিকা

আজ পর্যন্ত যে তিনজন বাঙালি সম্মানজনক নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন ড.মোহাম্মদ ইউনুস তাদের মধ্যে অন্যতম। একজন অর্থনীতিবিদ হয়েও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডা. মোহাম্মদ ইউনুস। প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে তার এই প্রাপ্তি আমাদের জাতীয় জীবনের একটি বড় পাওয়া। ডা. মোঃ ইউনুস আজ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি শুধু উজ্জ্বল করেননি বরং দেশটিকে বিশ্ব মানচিত্রে ব্যাপক পরিচিত দান করেছেন। দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মানুষের মুক্তির জন্য তার আবিষ্কৃত "ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প" বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য  উত্তম মডেল ও আদর্শের উৎস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।


সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন উত্তর ড. ইউনুস সম্পর্কে
নোবেলজয়ী ড.মুহাম্মদ ইউনুস সম্পর্কে রচনা


ড. মোহাম্মদ ইউনুসের পরিচয়

'Banker or the poor' খ্যাত দুস্ত ও অসহায় মানুষের দিশারী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পুরুষ, বাংলার গৌরব, নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুসের জন্ম চট্টগ্রাম জেলা হাটহাজারী থানার অন্তর্গত বধুয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তার পিতা ছিলেন হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, মাতা সুফিয়া খাতুন। ১৪ ভাই বোনের মধ্যে ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ছিলেন তৃতীয়। শৈশবে তার পাঁচজন ভাই বোন মারা যায়। তার পিতা ছিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তিনি সবসময় সন্তানদের উচ্চশিক্ষা লাভের উৎসাহিত করতেন। তার মা সুফিয়া খাতুন দুঃখ অসহায় মানুষদের অকাতরে সাহায্য করতেন। 


ড. মোহাম্মদ ইউনুসের ছাত্রজীবন

ইউনুস ছাত্র জীবনে অসাধারণ মেধার অধিকারী ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান নিয়ে এসএসসি পাস করেন এবং ১৯৫৭ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। ইউনুস ১৯৬৫ সালে তেনেসির নাস বিলে অবস্থিত ভেন্ডার বিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ডিগ্রি করার জন্য ফুলব্রাইট ফেলোশীপ পান।


ড. মোহাম্মদ ইউনুসের র্মজীবন

১৯৬১ সালে ইউনুস চট্টগ্রাম কলেজে অর্থনীতি বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগ দেন। এরপর উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য বিদেশে চলে যান। পিএইডি লাভের পর তিনি ১৯৬৯ সাল থেকে মিডল টেনেসি টেস্ট ইউনিভার্সিটিতে অর্থনীতি সহকারি অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। ডাঃ ইউনূস ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে এসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের প্রধান নিযুক্ত হন।


আরও পড়ুনঃ প্রবন্ধ রচনা: বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র

 

ড. মোহাম্মদ ইউনুস কেন এবং কিভাবে দারিদ্র লাঘবে মনোনিবেশ করেন

সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা যে ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে তা অধ্যাপক ইউনূসের দৃষ্টিগোচর হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ তার জীবন ধারাকে সম্পূর্ণ পাল্টে দেয়। তার মনে এ ভাবনার উদ্যোগ হয় যে, লোকজন অর্ধাহারে অনাহারে রাস্তাঘাটে  ধুঁকে ধুঁকে মরছে অথচ তিনি অর্থনীতির অভিজাত মতবাদ শিক্ষা দিচ্ছেন। তিনি অর্থনীতির অভিজাত মতবাদের অসারতা ও অসম্পূর্ণতা অনুধাবন করেন এবং গরিব জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নকে তার মহান ত্যাগ হিসেবে বেছে নেন। তিনি তাদের জীবন জীবিকা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে থাকেন এবং তাদের নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। বাশের টুর বা চৌকি তৈরি করেছিলেন এমন একজন মহিলার সাথে তিনি যখন একদিন কথা বলছিলেন, তখন তিনি জানতে পারেন যে মহিলাটির নিজের কোন মূলধন না থাকায় তারা এর ৯৩% এর বেশি মধ্য স্বত্বভোগীকে দিয়ে দিতে হয়। ডাঃ ইউনুস তাদের দারিদ্র‍্য নেপথ্যে এ প্রধান সমস্যাটি চিহ্নহিত করেন। তিনি বুঝতে পারেন যে, লোকজন আজ এত গরিব থাকার কারণ হচ্ছে তাদেরকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা করার কোন প্রতিষ্ঠান না থাকা। এজন্য তিনি দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার দিকে মননিবেশ করেন এবং এভাবেই তার মনে ক্ষুদ্র ঋণ ধারণার উন্মেষ ঘটে।


গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ড. মোহাম্মদ ইউনুস

১৯৭৪ সালের সর্বপ্রথম তার মনে গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা জন্ম হয়। ১৯৭৬ সালে তিনি তার ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ব্রতী হন। এজন্য তিনি আপাত দৃষ্টিতে সনাতন ব্যাংক ঋণ পাওয়ার ও যোগ্য গরিব লোকদের ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার জন্য জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানিক অনুমোদন পান। ১৯৯৭ সালে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্ষুদ্রঋণ শীর্ষক বৈঠক করেন। এভাবে তার গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 


গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম

গ্রামীণ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র দূর করা। তাই দরিদ্র লোকদের স্বাবলম্বী হতে এই ব্যাংক ঋণ দিয়ে সহায়তা করে। এর দুই মিলিয়নেরও বেশি ঋণ গ্রহীতা রয়েছে। বাংলাদেশের ৮৫ হাজার গ্রামের মধ্যে ৩৫ হাজার গ্রামে এ ব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৯৪% এ মহিলা। এটি জামানত বিহীন ঋণ দিয়ে থাকে। এই ঋণের ৯৮% পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে হয়। বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংক বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান। 


ড. মোহাম্মদ ইউনুসের দর্শন

ডা: মোহাম্মদ ইউনূসের দর্শনের মূলে রয়েছে মানব প্রেম। এ দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি মানব জাতিকে দারিদ্র্যের রূঢ় বাস্তবতা থেকে মুক্তির পথ দেখাতে চেয়েছেন। তিনি মনে করেন যে, দারিদ্র্যের অভিশাপটিকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গরিবদের মধ্যে সবচেয়ে গরিব যারা তারাই গ্রহণযোগ্য ঋণ পাওয়ার সবচেয়ে বেশি উপযোগী। এটি তার দর্শনের মূলতত্ত্ব। তার দর্শন পুঁজিবাদকে ধ্বংস করে সমাজের সামনের সুফল বয়ে আনার পক্ষপাতি। 


আরও পড়ুনঃ প্রবন্ধ রচনা: দেশ গঠনে ছাত্র সমাজের ভূমিকা

 

ড. মোহাম্মদ ইউনুসকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয় কেন?

অধ্যাপক ইউনুস এবং তার গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে ১৩ই অক্টোবর শুক্রবারে নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষিত হয়। ক্ষুদ্রঋণের জগতে তার অসাধারণ নবরীতির জন্য তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়, যা লক্ষ লক্ষ লোককে দারিদ্র্যের কারাগার থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। ডাঃ ইউনুস ও তার গ্রামীণ ব্যাংক দেখিয়েছে যে, ঋণ সহায়তা পেলে সবচেয়ে দরিদ্র দুস্থ লোক ও নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে পারে। তবে উপার্জন মুখী কর্মকান্ডে পুরুষের সাথে নারীরাও যদি সমানভাবে অংশগ্রহণ না করে তাহলে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে। এজন্য গ্রামীণ ব্যাংক নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রদান করে। ২০০৬ সালে ১০ ডিসেম্বর এক ঝাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে অধ্যাপক ইউনুস এবং গ্রামীন ব্যাংকের পক্ষ থেকে নূরজাহান নোবেল পুরস্কার হিসেবে ১০ মিলিয়ন ক্রোনাস অর্থ, একটি স্বর্ণপদক এবং একটি সনদপত্র গ্রহণ করেন। 


নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় তার অনুভূতি কি?

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস জেনে অভিব্রত হন যে, তিনি এবং তার গ্রামীণ ব্যাংক এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, আসলে এরকম ঘটেছে। নোবেল কমিটিকে তিনি টেলিফোন করে এই সত্যতা যাচাই করেন। নোবেল পুরস্কার সম্পর্কে জেনে তিনি আশ্চর্যজনিত হন। খবরটি তার কাছে শুধু নয় গোটা দেশবাসীর কাছেও বেশ চমকৃত ছিল।


ড.ইউনুস তার ক্ষুদ্রঋণ প্রথম কিভাবে প্রয়োগ করেন?

তিনি তার ছাত্রদের নিয়ে জোবরা গ্রামে প্রথম জরিপ চালান এবং ৪২ জন মহিলাকে নির্বাচন করে ৮৫৫ টাকা দিন দেন।  এ টাকা তিনি আর ফেরত নেননি। তিনি আরও ২৭ ডলার ঋণ দিয়ে তাদেরকে স্বাবলম্বী হতে অনুপ্রাণিত করেন এবং আর্থিক সচ্ছলতা ফিরে এলে এ টাকা যখন ইচ্ছে ফেরত দেওয়ার কথা বলে। তারা এক বছরের মধ্যে সে টাকা তাকে ফেরত দিলেন এবং এই উদ্দীপনা থেকে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ হন।


ক্ষুদ্রঋণের অবস্থান

বস্তুত ডঃ ইউনূসের সবচেয়ে জনপ্রিয় দারিদ্র্যমুক্তির পন্থা হিসেবে পরিগণিতা হয়েছে। মাইকো ক্রেডিট সামিট এর সূত্র অনুসারে গত বছর ১৩০ টি দেশে ৩ হাজারও বেশি প্রতিষ্ঠান থেকে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি লোক ক্ষুদ্র ঋণ নিয়েছিল। জনপ্রতি গড়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ ছিল ১৩০ ডলার।


ডাঃ ইউনুস এর কর্মপরিধি

১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ইউএন সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ইউনুসকে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা হিসেবে অনুষ্ঠিত মহিলা বিষয়ক চতুর্থ বিশ্ব সম্মেলনে নিয়োগ দেন। অধ্যাপক ইউনুস মহিলা স্বাস্থ্য বিষয়ক গ্লোবাল কমিশন, অব্যাহত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উপদেষ্টা কাউন্সিল এবং মহিলা ও অর্থনীতি বিষয়ক ইউএন বিশেষজ্ঞ দলেও কাজ করেন। তিনি কন্সালটেটিভ গ্রুপ টু এসিস্ট দ্যা পোরেস্ট এর পলিসি এডভাইজারি গ্রুপ এর মুখ্য দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া শিক্ষা ,জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ প্রতিরোধ, ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কমিশন ও কমিটিতে তিনি কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন‌-আমানা ইখতিয়ার মালয়েশিয়া ফিলিপাইনে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র এবং মালয়েশিয়ার দরিদ্র তাহবিলে কাজ করেছেন। অধ্যাপক ইউনুস "কালবাট ওয়ার্ল্ড"  "ভ্যালু ফাউন্ড", আন্তর্জাতিক জাতি বিষয়ক সহযোগিতার সংস্থা,  "ক্ষুদা নিবৃত্তি জাতীয় কাউন্সিল", রেজাল্ট এবং আশুকা ফাউন্ডেশন এর আন্তর্জাতিক কাউন্সিল ভূমিকা রাখেন।


আরও পড়ুনঃ প্রবন্ধ রচনা: সমাজসেবা

 

অধ্যাপক ইউনূস এর প্রাপ্ত পুরস্কার সমূহ

অধ্যাপক ইউনুস তার সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ যেসব আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে-ম্যানিলা থেকে "দ্যা রেমন মেগসেস পুরস্কার" ১৯৮৪, জেনেভা থেকে আর্কিটেকচারের জন্য "দ্যা আখাগার পুরস্কার" ১৯৮৯, শ্রীলংকা থেকে বিজ্ঞানের জন্য "দ্যা মোঃ শাহাব উদ্দিন পুরস্কার" ১৯৯৩, এবং আমেরিকা থেকে বিশ্ব খাদ্য ফাউন্ডেশন প্রদত্ত "বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার" ১৯৯৪, "সিউল শান্তি পুরস্কার" ২০০৬ প্রভৃতি। বাংলাদেশ থেকে তিনি "রাষ্ট্রপতি পুরস্কার" ১৯৭৮, "কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরস্কার" ১৯৮৫, এবং "স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার" ১৯৮৭ এবং ভারতের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল ইটিভি বাংলা কর্তৃক ২০০৬ সালে "জীবিত শ্রেষ্ঠ বাঙালি" সম্মাননায় ভূষিত হন।


উপসংহার

ডঃ ইউনুস তার গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তার ক্ষুদ্র ঋণ বিশ্বকে দারিদ্র্যমুক্তির একটি কার্যকারী পথ দেখিয়েছে। তিনি আমাদের জন্য বয়ে এনেছেন নোবেল পুরস্কার। শুধু তাই নয়, তিনি বিশ্বের জন্য একজন অনুকরণীয় আদর্শ এবং তার ক্ষুদ্র ঋণ বিশ্ববাসীর জন্য স্বাবলম্বী হওয়ার একটি অদ্বিতীয় পন্থা। তার ক্ষুদ্র ঋণ দারিদ্র্যকে জাদুঘরে বন্দী করতে সক্ষম। অতীতে আমাদের জন্য তার মত এত বড় সম্মান আর কেউ বয়ে আনতে সক্ষম হননি। তাই "ড.ইউনুস আমাদের গৌরব"

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

Next Post Previous Post