সাধারণ জ্ঞান কুইজ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল সমূহের সামাজিক ভিত্তি, কাঠামো ও আদর্শ
বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল সমূহের সামাজিক ভিত্তি, অবকাঠামো ও আদর্শগত বিষয়াদি সম্পর্কিত অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী বা সাধারণ জ্ঞান কুইজ সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আজকের আলোচনা।
প্রিয় পাঠক, আমরা একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলেই দেখতে পাচ্ছি যে, বিসিএস পরীক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা, সাধারণ জ্ঞান কুইজ পরীক্ষা এবং আরোও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলসমূহ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যাদি নিয়ে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর দেখা যায়। তাই আজকের আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দলসমূহের সামাজিক ভিত্তি, অবকাঠামো ও আদর্শ সম্পর্কে প্রিয় শিক্ষার্থীদেরকে জ্ঞান দান করা।
![]() |
সাধারণ জ্ঞান কুইজ |
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল সমূহের সামাজিক ভিত্তি, কাঠামো ও আদর্শ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান কুইজ
১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলসমূহের সামাজিক ভিত্তি কি?
উত্তরঃ জনসমর্থন।
২. ভারতের মুসলমানদের সবচেয়ে পুরাতন রাজনৈতিক দল কোনটি?
উত্তরঃ মুসলিম লীগ।
৩. মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য কি ছিল?
উত্তরঃ বাংলার মুসলমানদের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থ রক্ষা করা।
৪. প্রতিষ্ঠা লগ্নে মুসলিম লীগের কয়টি উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য স্থির করা হয়?
উত্তরঃ তিনটি।
৫. স্যার গ্রিফিন্স তার কোন গ্রন্থে মুসলিম লীগের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করেছেন?
উত্তরঃ The British Impact on India নামক গ্রন্থে।
৬. মুসলিম লীগের আদর্শ কিরূপ ছিল?
উত্তরঃ ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে দল পরিচালনা।
৭. পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের সমর্থনের মূলে কারা ছিল?
উত্তরঃ বাঙালিরা।
৮. পাকিস্তান আমলে বাঙ্গালীদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল কোনটি?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগ।
৯. কারা পশ্চিম পাকিস্তানের আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভিত্তি প্রসারিত করেন?
উত্তরঃ জাকুরি শরীফের পীর সাহেব ও গোলাম মোহাম্মদ খান লুন্দকর।
১০. পশ্চিম পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রধান ব্যক্তিত্ব কে ছিলেন?
উত্তরঃ উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মানকী শরীফের পীর সাহেব।
১১. কখন পশ্চিম পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার হ্রাস পায়?
উত্তরঃ পূর্ব পাকিস্তানে স্বায়ত্তশাসনের দাবি যখন চরম আকার ধারণ করে।
১২. বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য দলটির নাম কি?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগ।
১৩. কোন দলের প্রতি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অধিকাংশ জনগণের সমর্থন রয়েছে?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগের প্রতি।
১৪. আওয়ামী লীগের সমর্থকের সংখ্যা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পায় কাদের সমন্বিত নেতৃত্বের প্রভাবে?
উত্তর: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবুর রহমানের সমন্বিত নেতৃত্বের প্রভাবে।
১৫. আওয়ামী লীগের কোন শ্রেণীর মধ্যে এর অঙ্গ (Front) সংগঠন আছে?
উত্তরঃ ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক ও মহিলাদের মধ্যে।
১৬. আওয়ামী লীগ সমর্থিত কোনটি দেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন?
উত্তর: ছাত্রলীগ।
১৭. আওয়ামী লীগের মূলনীতি কয়টি?
উত্তর: চারটি।
১৮. আওয়ামী লীগের মূলনীতিগুলো কি কি?
অথবা, আওয়ামী লীগের দলীয় আদর্শ কি?
অথবা, বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের মূল নীতিগুলো কি?
উত্তরঃ জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও সমাজতন্ত্র।
১৯. আওয়ামী লীগ কোন নীতিতে বিশ্বাসী?
উত্তরঃ জোট নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতিতে।
২০. কোন সংবিধানে আওয়ামী লীগের চারটি মূলনীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
উত্তর: ১৯৭২ সালের সংবিধানে।
২১. আওয়ামী লীগের মূলনীতির প্রবক্তা কে?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২২. আওয়ামী লীগের চারটি মূলনীতিকে কি বলা হয়?
উত্তর: মুজিববাদ।
২৩. মুজিববাদ কাকে বলে?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগের চারটি মূলনীতিকে মুজিববাদ বলে।
২৪. আওয়ামী লীগ জাতীয়তাবাদকে ব্যাখ্যা করেছে কিভাবে?
উত্তরঃ জাতি হিসেবে দেশের উপর জনগণের পূর্ণ কর্তৃত্বের অধিকার।
২৫. ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কে আওয়ামী লীগের দলীয় ব্যাখ্যা কিরূপ?
উত্তরঃ জনগণের স্ব-স্ব চেতনার আলোকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের অবাধ অধিকার।
২৬. আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে কোন নীতি অনুসরণ করে?
উত্তরঃ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ।
২৭. প্রতিষ্ঠালগ্নে আওয়ামী লীগ কয় দফা দাবি পেশ করে?
উত্তরঃ ৪২ দফা দাবি।
২৮. আওয়ামী লীগের প্রথম দাবি কি ছিল?
উত্তরঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
২৯. মারী চুক্তি সম্পাদিত হয় কবে?
উত্তরঃ ১৯৫৫ সালের ৭ জুলাই।
৩০. মারী চুক্তির নীতি কি ছিল?
উত্তরঃ পশ্চিম পাকিস্তানের চারটি প্রদেশ নিয়ে "এক ইউনিট" গঠন।
৩১. সংখ্যা সাম্য নীতি কেন্দ্রীয় আইন পরিষদে প্রবর্তন করে কোন চুক্তির মাধ্যমে?
উত্তরঃ নারী চুক্তির মাধ্যমে।
৩২. ১৯৬৬ সালের শেখ মুজিব কোন কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
উত্তরঃ ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি।
৩৩. ঐতিহাসিক ছয় দফা কবে ঘোষণা করা হয়?
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি।
৩৪. কে ৬ দফা উত্থাপন করেন?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৩৫. কোন নির্বাচন ৬ দফার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৭০ সালের নির্বাচন।
৩৬. ১৯৭০ সালের নির্বাচনে কোন দল জয়লাভ করে?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগ।
৩৭. কত তারিখে আওয়ামী লীগে ২২ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৮০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি।
৩৮. ২২ দফার প্রথম দাবি কি ছিল?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবার বর্গের হত্যার বিচার।
৩৯. কোনটি জনগণকে বিএনপির পতাকাতলে সমবেত হতে অনুপ্রাণিত করে?
উত্তরঃ বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, চারিত্রিক নিষ্কলুষতা, মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং সর্বোপরি তুলনাহীন দেশপ্রেম।
৪০. বিএনপির অঙ্গ সংগঠন গুলো কি কি?
উত্তরঃ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল প্রভৃতি।
৪১. বিএনপি'র অঙ্গ সংগঠন গুলোর মধ্যে কোনটি অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী ও সুসংহত?
উত্তরঃ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
৪২. বিএনপি'র লক্ষ্য কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক গণঐক্য, গণতন্ত্র ও জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি ও প্রগতি অর্জন, অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভ্রতা অর্জন।
৪৩. বিএনপি'র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিয়াউর রহমান কি বলেন?
উত্তরঃ "অর্থনৈতিক মুক্তি গণভিত্তিক গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ব্যাপক ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য"।
৪৪. দলীয় ঘোষণাপত্রের কত দফায় বিএনপির নীতি ও আদর্শের বর্ণনা আছে?
উত্তরঃ ৩১ দফায়।
৪৫. বিএনপি কোন আদর্শে বিশ্বাসী?
উত্তরঃ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে।
৪৬. বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কি?
উত্তরঃ ভূখণ্ড (বাংলাদেশের ভৌগলিক এলাকা), ধর্ম (ইসলাম) ও ভারত বিরোধী মনোভাব এই তিন উপাদান।
৪৭. অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিএনপি কোন নীতির অনুসারী?
উত্তরঃ মুক্তবাজার অর্থনীতির।
৪৮. আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার নীতিতে কোন দল বিশ্বাসী?
উত্তরঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
৪৯. জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসূচি পেশ করেন কবে?
উত্তরঃ ১৯৭৭ সালে ৩০ এপ্রিল।
৫০. ১৯ দফা কর্মসূচি পেশ করেন কে?
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
৫১. ১৯ দফা কর্মসূচির প্রথম দফা কি ছিল?
উত্তরঃ সর্বত্রভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখন্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
৫২. কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থন দেশের কয়েকটি অঞ্চলের সীমাবদ্ধ?
উত্তরঃ জাতীয় পার্টির।
৫৩. জাতীয় পার্টি কোন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে পল্লী অঞ্চলের সমর্থন পেয়েছে?
উত্তরঃ প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ করে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে।
৫৪. জাতীয় পার্টির কোন কোন শ্রেণীর মধ্য ফ্রন্ট সংগঠন আছে?
উত্তরঃ ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক ও মহিলাদের মধ্য।
৫৫. কোন নামে এরশাদ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
উত্তরঃ '১৮ দফা উন্নয়ন পরিষদ বাস্তবায়ন কমিটি' নামে।
৫৬. এরশাদ কোন নামে ছাত্র সংগঠন গঠন করেন?
উত্তরঃ নতুন বাংলা ছাত্র সমাজ।
৫৭. যুব সমাজ সংগঠিত করার লক্ষ্য এরশাদ কোন সংগঠন গড়ে তোলেন?
উত্তরঃ নতুন বাংলা যুব সংহতি।
৫৮. জাতীয় পার্টির প্রধান লক্ষ্য কি?
উত্তরঃ রাজনৈতিক এবং আর্থসামাজিক স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার স্বার্থে গণতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি এবং দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা।
৫৯. জাতীয় পার্টির মৌলিক আদর্শ কয়টি?
উত্তরঃ ৫ টি।
৬০. জাতীয় পার্টির দুটি মৌলিক আদর্শের নাম লিখ?
উত্তরঃ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইসলামিক আদর্শ ও সকল ধর্মের স্বাধীনতা।
৬১. জাতীয় পার্টির মূলনীতি কয়টি?
উত্তরঃ ১০ টি।
৬২. জাতীয় পার্টি কোন নীতিতে বিশ্বাসী?
উত্তরঃ পুঁজিবাদী পথে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন।
৬৩. জাতীয় পার্টি কয় দফা ভিত্তিক কর্মসূচি ঘোষণা করে?
উত্তরঃ ১৮ দফা।
৬৪. কে ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
উত্তরঃ জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।
৬৫. কবে, কোথায় এরশাদ তার ১৮ দফা কর্মসূচির রূপরেখা প্রণয়ন করেন?
উত্তরঃ ১৯৮৩ সালের ১৭ মার্চ, কুমিল্লায়।
৬৬. জাতীয় পার্টির ১৮ দফা কর্মসূচির প্রথম দফা কি?
উত্তরঃ পল্লীর উন্নয়ন করা।
৬৭. কিসের উপর ভিত্তি করে জাতীয় পার্টির ১২ দফা কর্মসূচি প্রণীত হয়?
উত্তরঃ ১৮ দফা কর্মসূচির উপর ভিত্তি করে।
৬৮. বাংলাদেশের ধর্মীয় চেতনা ভিত্তিক রাজনৈতিক দল কোনটি?
উত্তরঃ জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ।
৬৯. জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মূল সাংগঠনিক শক্তি কি?
উত্তরঃ ছাত্র সংগঠন 'ইসলামী ছাত্রশিবির'।
৭০. জামায়াতে ইসলামের মূল লক্ষ্য কি?
উত্তরঃ দেশে কুরআন সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠা করা।
৭১. জামায়াতে ইসলামি কোন নীতিতে বিশ্বাসী?
উত্তরঃ ইসলামী জাতীয়তাবাদে।
৭২. কোন দল বাংলাদেশের ভৌগোলিক বা ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী নয়?
উত্তরঃ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।
৭৩. বিশ্ব ইসলামী ভাতৃত্বে বিশ্বাসী কোন দল?
উত্তরঃ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।
৭৪. জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কোন আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবে নিজেকে মনে করে?
উত্তরঃ বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের।
৭৫. জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশের কর্মসূচি কয় দফা সম্পাদিত হয়েছে?
উত্তরঃ ৭ দফায়।
৭৬. কবে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ৭ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
উত্তরঃ ১৯৮১ সালের জানুয়ারি মাসে।
৭৭. জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশের ৭ দফার প্রথম দফা কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা।
৭৮. জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশের মতে সার্বভৌমত্ব কার?
উত্তরঃ সার্বভৌমত্ব কেবল আল্লাহর।
৭৯. সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে জাসদদের গোপন ইউনিট এর নাম কি ছিল?
উত্তরঃ বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা।
৮০. কোন কারনে জাসদ ব্যাপক জনগণকে দলে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হয়নি?
উত্তরঃ হটকারিতা ও অতিবিপ্লবী আচরণের জন্য।
৮১. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জাসদদের দলীয় নীতিগুলো কি?
উত্তরঃ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ।
৮২. "সমাজতন্ত্রই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পূর্ব শর্ত" এই নীতিতে বিশ্বাসী কোন দল?
উত্তরঃ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জাসদ।
৮৩. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর দলীয় আদর্শ ও কর্মসূচি সংবলিত ঘোষণাপত্র কত সালে গৃহীত হয়?
উত্তরঃ ১৯৭২ সালের ২৩ ডিসেম্বর।
৮৪. জাসদ কর্তৃক ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৭৯ সালে।
৮৫. জাসদ কোন নীতিতে বিশ্বাসী?
উত্তরঃ যুদ্ধজোট বহির্ভূত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতিতে বিশ্বাসী।
৮৬. জাসদ কি প্রতিষ্ঠা করতে চায়?
উত্তরঃ শ্রেণী সংগ্রাম ও সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
৮৭. বর্তমানে জাসদের মূল কর্মসূচি কি?
উত্তরঃ ৫০০ আসন বিশিষ্ট দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট এবং 'অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র' হচ্ছে বর্তমানে জাসদের মূল কর্মসূচি।
৮৮. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির উদ্দেশ্য কি?
উত্তরঃ অনগ্রসর অবস্থা হতে দেশকে ধাপে ধাপে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
৮৯. বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি কোন আদর্শে বিশ্বাসী?
উত্তরঃ মার্কসবাদ লেলিনবাদের আদর্শে।
৯০. বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি কোন শ্রেণীর পার্টি বলে মনে করে?
উত্তরঃ শ্রমিক শ্রেণীর।
৯১. ধর্ম কর্ম সমাজতন্ত্র এ তথ্যটি কার?
উত্তরঃ ন্যাপ (মোজাফফর) এর।
৯২. NAP কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৫৭ সালে।
৯৩. ন্যাপ মোজাফফর এর আদর্শ কি?
উত্তরঃ সংসদীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক পথে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
পরিশেষেঃ
প্রিয় পাঠক, আজকের আলোচনার বিষয়- সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলসমূহের সামাজিক ভিত্তি, কাঠামো ও আদর্শ সম্পর্কে। আজকের আলোচনার সম্পূর্ণ তথ্যটি সংগ্রহ করা হয়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স শেষ পর্ব, 'বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতি' বই এর অষ্টম অধ্যায় হতে।
প্রিয় পাঠক, আজকের আলোচনার বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করলে আপনারা দুই দিক হতে উপকৃত হবেন যেমন- একদিকে একাডেমিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান অর্জন করা হবে অন্যদিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান অর্জন করা যাবে।
প্রিয় পাঠক, আজকের আলোচনায় কোন প্রকার ভুলভ্রান্তি হলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন এবং আরোও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য আমাদেরকে সোশ্যাল মাধ্যমেও জানাতে পারেন এবং পরবর্তী আর্টিকেলের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকতে পারেন। ধন্যবাদ।